চট্টগ্রামের অর্ধশত গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে আগাম ঈদুল ফিতর

0
341
ফাইল ফটো

পিভিউ ডেস্ক :   সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭টি উপজেলার অর্ধশত গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। দেশে প্রচলিত নিয়মের একদিন আগেই মঙ্গলবার (৪ জুন) এসব গ্রামের প্রায় দু’হাজার পরিবার ঈদ উদযাপন করছেন।

আগাম ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সাতকানিয়ার মীর্জারখীল জাহাঙ্গীর পীরের দরবার শরিফে। দরবারের সাজ্জাদানশীন মাওলানা আবদুল হামিদ শাহ’র ইমামতিতে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন দরবারের আরেক সাজ্জাদানশীন মাওলানা মাকসুদুর রহমান।

এছাড়া চন্দনাইশের জাহাঁগিরিয়া মমতাজিয়া দরবারে ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মমতাজিয়া দরবারের সাজ্জাদানশীন আল্লামা শাহ্সুফি সৈয়্যদ মোহাম্মদ আলী। সকাল ৯টার দিকে সেখানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর কাছে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।

জানা গেছে, চার মাযহাবের সমন্বিত ‘আল ফিকাহ আলা মাযাহিবিল আরবায়া’ নামক গ্রন্থের ভাষ্যমতে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়া গেলে সকল স্থানেই উক্ত চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র ঈদ উদযাপিত হবে।

এ চাঁদ নিকটবর্তী দেশে দেখা যাক বা দূরবর্তী দেশে দেখা যাক- এতে কোন পার্থক্য নেই। তবে চাঁদ দেখার সংবাদ নির্ভরযোগ্য পদ্ধতিতে অন্যদের নিকট পৌঁছাতে হবে।

সে অনুসারে সাতকানিয়া মীর্জারখীল দরবার ও চন্দনাইশ জাহাঁগিরিয়া দরবার শরিফের অনুসারীরা আড়াই’শ বছর ধরে এদেশে আগাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

দক্ষিণ চট্টগ্রামে এবার যেসব গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার মীর্জারখীল, চরতি, সুইপুর, গাটিয়াডাঙ্গা ও কেরাণীহাট, পটিয়া উপজেলার কালারপোল, হাইদগাঁও, মল্লপাড়া ও বাহুলী, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, গাছবাড়িয়া, হারালা, বাইনজুড়ী, কানাইমাদারি ও ঢেমশা, আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ, বরুমছড়া, বারখাইন, সরকারহাট, গহিরা ও বারশত, বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, পূর্ব গোমদণ্ডী ও পশ্চিম কধুরখীল, বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি ও ডোমার এবং লোহাগাড়ার ধর্মপুর ও কলাউজান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here