একমাস ধরে বন্ধ চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্র

0
45

পিভিউ ডেস্ক :  করোনার সংক্রমণ রোধে চট্টগ্রামের সব বিনোদন কেন্দ্র একমাস ধরে বন্ধ। এতে বেকার হয়ে গেছেন কর্মচারীরা।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে এসব পার্ক খুলে দেওয়া হলে এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বছর লকডাউনে বিনোদন কেন্দ্রগুলো প্রায় ৬ মাস বন্ধ ছিল। এসময় বড় অংকের ক্ষতির সম্মুখীন হয় কর্তৃপক্ষ। লকডাউন শেষে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়া হয়। ফলে মানুষ দীর্ঘদিন ঘরে কাটানোর পর একটু স্বস্তি নিয়ে বাইরে আসতে পেরেছে।

উদ্যোক্তারা বলছেন, ঈদকে ঘিরে এটাই পর্যটন ব্যবসার মূল সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এসময়ে মানুষের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে সরকার কিছু কিছু সেক্টরে শর্ত আরোপ করে লকডাউন শিথিল করেছে। বিনোদন কেন্দ্রগুলোকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার অনুমতি দিলে তাদের অস্তিত্ব টিকে থাকবে।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ফয়’স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, কাজীর দেউড়ি শিশু পার্ক, বহদ্দারহাট স্বাধীনতা কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী শিশু পার্ক, পারকি, কাট্টলী সমুদ্র সৈকত, মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কর্ণফুলীর পাড়, অভয়মিত্র ঘাট, সিআরবি শিরীষ তলাসহ প্রায় সব বিনোদনকেন্দ্রে এখনও জনসমাগমে বাধা রয়েছে।

ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক পরিচালনাকারী সংস্থা কনকর্ডের উপ-ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) বিশ্বজিৎ ষোষ বলেন, ফয়’স লেক কমপ্লেক্সে বর্তমানে কর্মীদের বেতন সহ আনুষঙ্গিক খাতে মাসে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা। ঈদ উপলক্ষে বোনাস সহ এই খরচ বেড়ে ৬৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু পার্ক বন্ধ থাকায় এবার লোকসান গুণতে হবে।

বেসরকারি ওয়ান্ডার ল্যান্ড গ্রুপের পরিচালনাধীন কাজীর দেউড়ি শিশু পার্কের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পার্ক খুলে দেওয়া হলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব।

সম্পাদনা-এসপিটি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here