চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচন: একটি ছাড়া সব কটিতেই জয় নৌকার প্রার্থীর

0
10

পিভিউ ডেস্ক :  চট্টগ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও উপ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এক ইউনিয়ন ছাড়া সবকটি ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসাররা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, সুয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থী জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে মো. হায়াত পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৯২ ভোট। নানুপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে শফিউল আজম পেয়েছেন ৪ হাজার ৮২৯ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক নিয়ে মো. আমান উল্লাহ পেয়েছেন ৩১৮৭ ভোট। বেসরকারি ভাবে নৌকার দুই প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার কাজী রবিউস সরওয়ার  বলেন, হারামিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মো. জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৫৭ ভোট। বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মো. নুরুছফা পেয়েছেন ৯ হাজার ৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৯০ভোট। এছাড়া আমিরাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে এস এম ইউছুফ পেয়েছেন ১১ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে আবদুল মালিক পেয়েছেন ২ হাজার ৮৬০ ভোট। আধুনগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে মো. নাজিম উদ্দিন ৩ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী টেবিল ফ্যান প্রতীক নিয়ে মো. আইয়ুব মিয়া পেয়েছেন ২ হাজার ১৭৩ ভোট। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে।

এরআগে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়ে শেষ হয় বিকেল ৪টায়। দুপুরে সুয়াবিল ইউনিয়নের শোভনছড়ি জেএমসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত দুই জন। অন্যদিকে লোহাগাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নজিবুন্নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আমিরাবাদ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে।  এছাড়া আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুফিয়া আলিয়া মাদ্রাসা এবং লোহাগাড়া ইউনিয়নের তৈয়বিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়।

সম্পাদনা-এসপিটি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here